NewsNow24.Com
Leading Multimedia News Portal in Bangladesh

এভাবে যত্ন নিলে ৫০ বছরেও পুরনো হবে না আপনার সাধের বালুচরি!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিউজনাউ ডেস্ক: বাজারে এখন নানা রকমারি শাড়ি ছেয়ে গিয়েছে। বর্তমান প্রজন্ম নানা ধরনের শাড়িতে মজেছে। কখনও রাফেল শাড়িতে স্টাইলিং করেছে, আবার হাইব্রিড বা ককটেল শাড়িতে সাজিয়ে নিচ্ছেন নিজেকে। কিন্তু সত্যি বলতে আমাদের বাংলার এত সুন্দর শাড়ির সম্ভার আছে, যা থেকে বেরিয়ে অন্য কোনও শাড়িকে আপন করে নেওয়ার আগে চার পাঁচবার ভাবতে হয়।

যেমন আছে বাংলার তাঁত, আবার বাংলার সিল্কেরও কোনও জুড়ি হয় না। অসাধারণ অসাধারণ সব শাড়ি! কোনও শাড়িতে উঠে আসছে কাঁথা স্টিচের কারুকার্য, আবার কোনও শাড়িতে আছে সিল্কের সম্ভার! এরকমই এক শাড়ি বালুচরি। আমাদের প্রিয়, আবার আমাদের মা ও ঠাকুমাদেরও বড্ড প্রিয় এই শাড়ি। অষ্টাদশ শতাব্দীতে উত্থান হওয়া এই শাড়ি এখনও হারিয়ে যায়নি, বরং জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে একইভাবে।

বালুচরি শাড়ি আমাদের সবার মধ্য়েই খুব বিখ্যাত। শুধু আজ বলেই নয়, বরং বছরের পর বছর ধরে এই শাড়ি বাঙালির আলমারিতে বিশেষ সম্মান পেয়ে এসেছে। এই শাড়ি সাধারণত সিল্ক থেকেই তৈরি হয়। বালুচরি শাড়ির আঁচলে বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনীর বর্ণনা পাওয়া যায়।

বালুচরি শাড়ি প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল? সেই নিয়ে এখনও মতভেদ আছে। এই মত বিরোধ এখনও আছে যে, বালুচরি প্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল? মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে নাকি বিষ্ণুপুরে? অনেকের মতে, নদীর তিরে এই জিয়াগঞ্জে তৈরি হয় বাণিজ্যকেন্দ্র।

এই সময়েই এই বালুচরে গড়ে ওঠে বয়নশিল্প। আবার অনেকেই মনে করেন, মুর্শিিদ কুলি খাঁ ১৭০৪ সালে তাঁর বেগমদের জন্য নতুন শাড়ি তৈরর হুকুম দেন বালুচরের তাঁত শিল্পীদের। তাঁরা যে নতুন শাড়ি তৈরি করেন, তাই বালুচরি নামে পরিচিত হয়। পরে গঙ্গার বন্যায় এই গ্রাম বিধ্বস্ত হলে শিল্পীরা আশ্রয় নেন বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরে৷ সেই সময়ে টেরাকোটার মন্দির ও অন্যান্য শিল্পের প্রভাব পড়ে শাড়ির নকশায়৷

শুধু বালুচরি বলেই নয়, যে কোনও শাড়িই সঠিক যত্নে ৫০ বছরও থাকতে পারে। তাই বলে আপনি যদি কোনও শাড়িকে ঠিকঠাক ব্যবহার না করেন, তাহলে সেই শাড়ি ১০ বছরের আগেই খারাপ হতে সময় নেবে না। এই জন্য যে কোনও শাড়ি কিনে সেই শাড়ির সঠিক যত্ন করা উচিত। বালুচরি শাড়ি কীভাবে যত্ন নেবেন? বাড়িতে ভুলেও ধুতে যাবেন না।

বরং, ড্রাই ওয়াশ করিয়ে নিন। বার বার ধোয়ার কথা ভাববেনও না। তার থেকে বরং, ভেবে চিন্তে পরুন। আপনার বিশেষ অনুষ্ঠানগুলোর জন্যে তুলে রাখুন এই শাড়ি। অন্য শাড়ির সঙ্গে গায়ে গা লাগিয়ে রাখবেন না। ঘষা লেগে সিল্ক খারাপ হয়ে যেতে পারে। বরং, একটি পাতলা সুতির কাপড়ে মুড়িয়ে রাখুন এই শাড়ি। ৪০-৫০ বছরও থেকে যেতে পারে। যে কোনও বয়সেই পরতে পারেন এই শাড়ি।

নিউজনাউ/এসকে/২০২২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আপনার মতামত জানান

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More